Rasm
L o a d i n g . . .
About Me
learn quran everyday * quran learn
About Me

Dedication to Faith and Education

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল

জনাব হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল একজন শিক্ষা উদ্যোক্তা, গবেষক, সংগঠক,লেখক ও সমাজসেবী ব্যক্তিত্ব। তিনি বাংলাদেশের মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থার যুগোপযুগীকরণে পথিকৃৎ ‘তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন’ এর ফাউন্ডার চেয়ারম্যান ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যাবধি চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন । তিনি কুরআন শিক্ষা বিস্তার, মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ,মানসম্পন্ন আলেম তৈরি  এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে যোগ্য ও আদর্শ মানুষ গড়ার কাজে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ।
তিনি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী থানার যোগীপাল গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন, তার পিতার নাম অধ্যাপক রইস উদ্দীন ইসলাহী,পেশায় একজন শিক্ষক, মাতার নাম ফরিদা ইয়াসমীন, তিনিও একজন শিক্ষক ছিলেন । জনাব হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল চার ভাই এক বোনের মধ্যে সবার বড়। তিনি চার সন্তানের জনক, তারা হলো: মাবরুর, মাবরুক,মামদুহ ও মাইমুন । তার স্ত্রী মাহফুজা সুলতানা একজন হাফেজাহ মুয়াল্লিমাহ , তিনি মাদরাসা শিক্ষায়  কামিল  ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। 
শৈশবকালেই তিনি টাঙ্গাইল দারুল উলুম আলিয়া মাদরাসার হিফয বিভাগ থেকে সফলভাবে হিফযুল কুরআন সম্পন্ন করেন, যা তাঁর শিক্ষাজীবনের এক উজ্জ্বল সূচনা। তিনি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী থানাধীন সয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা থেকে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৯৯৩ সালে অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সারা বাংলাদেশে নবম স্থান অধিকার করেন । পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে ঢাকার তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মেধাতালিকায় সারা বাংলাদেশে ১৯তম স্থান অর্জন করেন । একই প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি সফলতার সাথে ফাজিল ও কামিল সম্পন্ন করেন ।
উচ্চশিক্ষার ধারাবাহিকতায় তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন এবং পরবর্তীতে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ থেকে ইসলামিক স্টাডিজে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষক হিসেবে অধ্যয়নরত রয়েছেন। 

অ্যাকাডেমিক জীবনে অসামান্য কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন । এছাড়াও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থানসহ একাধিক উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেন । তিনি সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে সৌদি আরব সফর করেন এবং সেখানে পবিত্র হারাম শরীফের ইমামের নিকট থেকে সম্মানসূচক ক্রেস্ট গ্রহণ করেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন সময় তুরস্ক,মালদ্বীপ,সংযুক্ত আরব আমিরাত,মালয়েশিয়া,শ্রীলংকা,ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুর ভ্রমন করেছেন ।
পাশাপাশি তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সেমিনার ও আলোচনায় সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে জ্ঞানচর্চা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। বিভিন্ন পত্রিকা, সাময়িকী, অনলাইনমাধ্যম ও জার্নাল এ তার লেখা শতাধিক প্রবন্ধ,মতামত ও আর্র্টিক্যাল প্রকাশিত হয়েছে । ইতোমেধ্যে তার রচিত কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে ।
ছাত্রজীবন থেকেই তিনি নেতৃত্বগুণের পরিচয় দেন। শিক্ষার্থীদের নানাবিধ সমস্যা সমাধানে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা ছাত্র সংসদের ভিপি হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি শিক্ষা, সমাজকল্যাণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট একাধিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত থেকে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। 
আল্লাহ তায়ালা তাকে দুনিয়া ও আখেরাতে সফলতা দান করুন । আমীন । 

 

;
Upcoming & Recent

Program

;
Islamic Discussions

Recent Islamic Discussions

;
Featured Coverage

From Media

From Media

Media coverage will appear here

Add active From Media content from the admin panel to show it on the home page.

;
Explore Topics

Browse Content by Category

;
Words To Reflect

Quote

Quotes will appear here after adding active quote content from admin.

Coming Soon

;
Connections

My Connections

; ;
Article

Recent Articles

আশুরার গুরুত্ব ও ফযিলাত

আশুরার গুরুত্ব ও ফযিলাত

الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على نبينا محمد خاتم الأنبياء وسيد المرسلين وعلى آله وصحبه أجمعين وبعد: ইসলামে এমন কিছু দিন রয়েছে যেগুলোতে আল্লাহ তাআলা নেক আমল করার জন্য তার বান্দাহদেরকে সুযোগ করে দিয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো: মুহাররাম মাসের দশম দিবস যা আশুরা হিসাবে পরিচিত । এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। এ দিনে নবী মুসা আলাইহিস সালামের বিজয় হয়েছিল। পতন হয়েছিল তখনকার সবচেয়ে শক্তিশালী জালেম সম্রাট ফেরআউন ও তার সম্রাজ্যের। আশুরাসহ যে কোন ইবাদাত অবশ্যই আল্লাহকে রাজী খুশি করার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশিত পদ্ধতিতে হতে হবে। এ বিষয়ে কুরআনে এসেছে, وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانتَهُوا وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ ‘এবং রাসূল তোমাদের জন্য যা দিয়েছেন তা তোমরা গ্রহণ কর, আর যা সে তোমাদের নিষেধ করে তা থেকে বিরত হও, আল্লাহকে ভয় কর,নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা’ [সূরা হাশর:৭]। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, مَنْ عَمِلَ عَمَلاً لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ “যে এমন ইবাদত করল যাতে আমাদের কোন নির্দেশনা নেই তা পরিত্যাজ্য” [সহীহ মুসলিম : ৪৫৯০]। নিম্নে আশুরা সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো:

;