
জনাব হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল একজন শিক্ষা উদ্যোক্তা, গবেষক, সংগঠক,লেখক ও সমাজসেবী ব্যক্তিত্ব। তিনি বাংলাদেশের মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থার যুগোপযুগীকরণে
পথিকৃৎ ‘তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন’ এর ফাউন্ডার
চেয়ারম্যান । ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত
এই সংস্থার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যাবধি চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন । তিনি
কুরআন শিক্ষা বিস্তার, মাদরাসা শিক্ষার
উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ,মানসম্পন্ন আলেম তৈরি এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে
যোগ্য ও আদর্শ মানুষ গড়ার কাজে প্রচেষ্টা
চালিয়ে যাচ্ছেন ।
তিনি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী থানার যোগীপাল গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন, তার পিতার নাম অধ্যাপক রইস উদ্দীন ইসলাহী,পেশায় একজন শিক্ষক, মাতার নাম ফরিদা ইয়াসমীন, তিনিও একজন শিক্ষক ছিলেন । জনাব হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল চার ভাই এক বোনের মধ্যে সবার বড়। তিনি চার সন্তানের জনক, তারা হলো: মাবরুর, মাবরুক,মামদুহ ও মাইমুন । তার স্ত্রী মাহফুজা সুলতানা একজন মুয়াল্লিমাহ , তিনি মাদরাসা শিক্ষায় কামিল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।
শৈশবকালেই তিনি টাঙ্গাইল দারুল উলুম আলিয়া মাদরাসার হিফয বিভাগ থেকে সফলভাবে হিফযুল
কুরআন সম্পন্ন করেন, যা তাঁর শিক্ষাজীবনের এক উজ্জ্বল সূচনা।
তিনি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী থানাধীন সয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা থেকে বাংলাদেশ
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে
Add active Program content from the admin panel to show it on the home page.
Add active From Media content from the admin panel to show it on the home page.
Quotes will appear here after adding active quote content from admin.
মানবসভ্যতার বিনির্মাণে শ্রম ও শ্রমিকের অবদান অনস্বীকার্য। আজ পৃথিবীর বুকে যা কিছু দৃশ্যমান, সুরম্য অট্টালিকা থেকে শুরু করে আধুনিক প্রযুক্তির বিস্ময়কর উৎকর্ষ তার প্রতিটি স্তরে মিশে আছে শ্রমিকের মেধা, নিষ্ঠা আর তপ্ত ঘাম। প্রতিবছর ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস পালন করা হলেও, আধুনিক বিশ্ব আজও শ্রমিক শ্রেণিকে একটি শোষণমুক্ত ও স্থায়ী সমাধান দিতে পারেনি।
সিয়াম বা সাওম আরবি শব্দ সওম থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ সংযম, বিরত থাকা বা আত্মনিয়ন্ত্রণ। ইংরেজিতে একে Fasting এবং ফার্সিতে রোজা বলা হয়। শরিয়তের পরিভাষায়—আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, পাপাচার ও জৈবিক চাহিদা থেকে সচেতন বিরত থাকাই সাওম বা রোজা।
মানুষের আত্মগঠন, চরিত্র নির্মাণ ও আল্লাহমুখী জীবনের প্রশিক্ষণকাল রমজান মাস । এই মাসের প্রতিটি দিনেই রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের অফুরন্ত ধারা প্রবাহিত হয়। তাই শিশুদের রমজানকে আলাদা আলাদা ভাগে নয়; বরং ৩০ দিনের একটি ধারাবাহিক তারবিয়াত হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বিশেষ করে, বর্তমান সময়ে মোবাইল, টিভি, ইন্টারনেট ও গেমের আসক্তি শিশুদের হৃদয় থেকে ইবাদতের স্বাদ দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। অথচ আল্লাহতায়ালা বলেন : ‘হে মুমিনরা! তোমাদের ওপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে… যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’ (সুরা আল-বাকারা ২ : ১৮৩)